যে পুষ্টি উপাদানগুলো দরকার
আয়োডিন
থাইরয়েড হরমোন তৈরির মূল উপাদান আয়োডিন। আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ, ডিম ও দুধ এর ভালো উৎস। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আলাদা আয়োডিন সাপ্লিমেন্ট খাবেন না — অতিরিক্ত আয়োডিনও ক্ষতিকর হতে পারে।
সেলেনিয়াম
T4 হরমোনকে কার্যকর T3-তে রূপান্তরে সেলেনিয়াম ভূমিকা রাখে। ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, সূর্যমুখী বীজ ও ডাল থেকে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়।
জিঙ্ক
মাংস, ডাল, ছোলা ও কুমড়ার বীজে জিঙ্ক আছে, যা হরমোন তৈরিতে সহায়তা করে।
আয়রন ও ভিটামিন ডি
আয়রনের ঘাটতি থাইরয়েডের কাজে প্রভাব ফেলতে পারে। শাক, ডাল, কলিজা আয়রনের ভালো উৎস। সকালের রোদ ভিটামিন ডি পেতে সাহায্য করে।
প্রতিদিনের প্লেটে যা রাখবেন
- শাকসবজি ও মৌসুমি ফল — আমলকি, পেয়ারা, কমলার মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
- মাছ, ডিম, ডাল — প্রোটিনের জন্য
- লাল চাল, আটা, ওটস — আঁশযুক্ত শস্য
- চিয়া সিড, সূর্যমুখী ও কুমড়ার বীজ — ভালো ফ্যাট ও খনিজের জন্য
- পর্যাপ্ত পানি
যেগুলো পরিমিত রাখবেন
- কাঁচা বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি অতিরিক্ত পরিমাণে: রান্না করে স্বাভাবিক পরিমাণে খেলে সাধারণত কোনো সমস্যা নেই।
- সয়াবিন ও সয়া পণ্য: থাইরয়েডের ওষুধ খেলে ওষুধের কাছাকাছি সময়ে এড়িয়ে চলুন।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ভাজাপোড়া: ওজন ও প্রদাহ বাড়াতে পারে।
ভেষজ সম্পূরক কি কাজে আসে?
অশ্বগন্ধা, ব্রাহ্মী, আমলকির মতো ভেষজ আয়ুর্বেদে বহু বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সুষম খাবার ও চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি এগুলো দৈনন্দিন যত্নের অংশ হতে পারে। যারা থাইরয়েডের ওষুধ খান, তারা কোনো ভেষজ সম্পূরক শুরুর আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।