১. প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমান ও উঠুন
ছুটির দিনেও ঘুমের সময় ঠিক রাখলে শরীরের ঘড়ি (বায়োলজিক্যাল ক্লক) নিয়মিত হয় এবং ঘুম সহজে আসে।
২. সকালে ১০–১৫ মিনিট রোদে থাকুন
সকালের আলো দিনের বেলা সতেজ রাখে এবং রাতে স্বাভাবিকভাবে ঘুম আসতে সাহায্য করে।
৩. ঘুমের এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন বন্ধ
মোবাইল ও টিভির আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন কমিয়ে দিতে পারে। এই সময়টায় বই পড়ুন বা হালকা কথা বলুন।
৪. বিকেলের পর চা-কফি কমান
ক্যাফেইন শরীরে কয়েক ঘণ্টা কাজ করে। বিকেলের পর চা, কফি বা কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন।
৫. শ্বাসের ব্যায়াম করুন
৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৪ সেকেন্ডে ছাড়ুন, ৪ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন — এভাবে ৫ মিনিট করলে মন শান্ত হয়।
৬. প্রতিদিন হাঁটুন
দিনে ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম মানসিক চাপ কমায় এবং গভীর ঘুমে সাহায্য করে। তবে ঘুমের ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম করবেন না।
৭. রাতের খাবার হালকা ও আগে
ঘুমের অন্তত ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। ভারী ও ঝাল খাবার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ভেষজের ভূমিকা
অশ্বগন্ধা ও ব্রাহ্মী আয়ুর্বেদে মন শান্ত রাখতে বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়। কিছু গবেষণায় অশ্বগন্ধা মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে দেখা গেছে, তবে এটি জীবনযাপনের পরিবর্তনের বিকল্প নয়।